সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সুরভিত কলতান

তোমার নামের গান বলবো বলে 
আলোর ফসল বুনেছি
তোমার প্রেমের পথে চলবো বলে
মনের দুয়ার খুলেছি ,
হে রাতের প্রভু হে চাঁদের প্রভু
তোমাকেই ভালোবেসেছি !

আকাশ বাতাস চাঁদ সূর্য তারা 
তোমার ধন্য দানে পাগল পাড়া
যে দিকে তাকাই শুধু তোমার ছবি
কতো রঙ্গে এঁকে যায় হাজারো কবি,
ওই তারার মেলায়, ওই ঢেউয়ের খেলায়, 
তোমাকেই আমি পেয়েছি ! (ঐ)

শিউলি জবা জুই চামেলি বেলী
গেয়ে যায় শুধু তব প্রেমের কলি
সুরভী বিলিয়ে যায় সবার তরে
তোমার নামের প্রভু তাসবী পড়ে
ওই সোনালী রোদে ওই রূপালী চাঁদে
তোমারই রূপ দেখেছি ! (ঐ)

দিন যায় রাত আসে এই যে খেলা
পানি নদী কেটে  দেখ চলছে ভেলা
ফসলের মাঠ জুড়ে সবুজের হাসী
দিয়ে যায় নিয়ে যায় ব্যথা রাশী রাশী
ওই পাখির গানে ওই নদীর তানে
তোমারই সুর শুনেছি (ঐ)
হে রাতের প্রভু

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

জানাযার সালাম প্রসঙ্গ

  জানাযায় এক সালাম না দুই সালাম, একটি দালীলিক পর্যালোচনা হানাফী এবং শাফী মাযহাবের গবেষণায় জানাযার নামাজে দুই দিকে সালাম ফেরাতে হবে ৷ আর মালেকি মাযহাব মতে জানাযার নামাজে এক দিকে সালাম ফেরাতে হবে ৷ অপরদিকে হাম্বলি মাযহাবে জানাযায় এক সালাম ফেরানোটা নামাযের রুকোন ( গুরূত্বপূর্ণ কাজ) ৷ তবে যদি দ্বিতীয় সালাম ফিরিয়েও নেয় সমস্যা নেই, নামাজ হয়ে যাবে ৷ এমনিভাবে ইমাম শাফেয়ী ইমাম মালেক রহ, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল এই তিন ইমামের নিকটই সালাম জানাযার নামাজের রুকোন ৷ কিন্তু ইমাম আবু হানিফা রহ, এর  নিকট সালাম জানাযার রুকোন নয় বরং ওয়াজিব ৷ হানাফী মাযহাবের কুরআন-হাদীস ও যৌক্তিক উভয় প্রকারের শক্তিশালি দলীল রয়েছে ৷ (1)ইবরাহিম হাজারী থেকে বর্ণিত যে, একবার আব্দুল্লাহ ইবনে আবু আওফা র. নিজের কন্যার জানাযার নামাজ পড়াচ্ছিলেন, তখন তিনি চার তাকবীর বলেন ৷ তারপর অনেকক্ষণ থেমে যান, এমনকি আমরা ভাবছিলাম, তিনি হয়ত পঞ্চম তাকবীর বলবেন ৷ কিন্তু তারপর তিনি ডান দিকে সালাম ফেরান, অতপর বাম দিকে সালাম ফেরান এবং বলেন এভাবেই রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানাযার নামাজ পড়াতেন ৷ -বায়হাকীকৃত সুনানে কুবরা (4/71...

কুফর শিরক ও বেদআত নির্মূলে ওলামায়ে দেওবন্দের ভূমিকা

প্রতিটি মুমিনের জীবনের অমূল্য সম্পদ ঈমান ৷ আত্মাহীন দেহ যেমন লাশ ৷ তেমনি ঈমানহীন জীবনও অভিশাপ ৷ তাই বৈষয়িক সম্পদকে যতটুকো গুরূত্বের সাথে হেফাজত করতে হয়, তার চেয়ে অধিক সতর্ক থাকতে হয়  দুজাহানের মূলধন ঈমানের ব্যপারে ৷  প্রতিটি মূল্যবান জিনিসেই থাকে বেশ কিছু ভয়ের দিক ৷ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় ৷ হারিয়ে যাওয়ার ভয় ৷ চোর ডাকাতের ভয় ৷ বস্তুর গুরূত্ব ও মূল্যের ভিত্তিতে তার নিরাপত্তা বিষয়ক প্রস্তুতি নেয়া হয় ৷ যে জিনিস নষ্ট হলে মালিকের ক্ষতির পরিমান বেশী হয় তার জন্য ততোবেশী মনোযোগ নিবিষ্ট করতে হয় ৷ মেহনত মুজাহাদা করতে হয় ৷ অর্থকড়ি খরচ করতে হয় ৷ প্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হলেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করতে হয় !  ঈমান এমনই একটি বিষয়, যার শুদ্ধতার সাথে সকল আমলের শুভ্রতা জড়ানো ৷ যার পরিচয়ের সাথে শেকড়ের হাজারো গল্প ছড়ানো ৷ যার পূর্ণতার সাথে দুনিয়া আখেরাতের সকল সফলতা মোড়ানো ৷ তাই এই অমূল্য সম্পদ কে রক্ষা করার জন্য যুগে যুগে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে! ভয় শঙ্কার বিষয়গুলো কে দূরে রাখা হয়েছে ৷ চোর ডাকাতের হামলা থেকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা ...

vaskorjo o murti haram